অবশেষে যুবতী রাধে নিয়ে মুখ খুললেন চঞ্চল চৌধুরী,

0
21

এ গান নিয়ে বেধে’ছে বিত’র্ক। গানটি মূ’লত সর’লপুর ব্যান্ডের। কিন্তু আ’ইপিডি’সি গানের পরিচ’য়ে তা’দের কোনো কৃত’জ্ঞতা দেয়নি। সেখানেই বিপত্তি। তাই স’রল’পুর ব্যান্ড গানটি সরি’য়ে নিতে আই’পি’ডিসিকে অনু’রো’ধ জানি’য়েছে। সেই প্রেক্ষি’তে নি’জেদের ই’উটিউব চ্যানে’ল থেকে গান স’রিয়েও নিয়ে’ছে আই’পিডিসি।

‘আই’পিডিসি আমাদের গান’ নামে একটি ইউ’টিউ’ব চ্যানেল থেকে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পার্থ বড়ুয়ার সংগীতা’য়োজনে ‘যু’বতী রাধে’ গানটি প্রকাশ হয়েছে ই’উটিউবসহ সোশাল মি’ডিয়ায়। এটি গে’য়েছেন জন’প্রিয় দুই তারকা চঞ্চল চৌধুরী ও মেহের আফ’রোজ শাওন। তাদের ক’ণ্ঠে গানটি বেশ সা’ড়া ফে’লেছে।

তবে গানটি সরে যাও’য়া নিয়ে চলছে আলো’চনা-স’মালো’চনা। কেউ সরলপুর ব্যান্ডের পক্ষে বলছেন তো কেউ আ’ইপিডিসি, পার্থ ব’ড়ুয়া, চঞ্চল ও শাওনের প্রশংসা করছেন এই গান’টিকে চমৎকা’রভাবে নতু’ন করে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য। তারা ‘যুবতী রাধে’ গানটিকে প্রচলিত গান দাবি করে উল্টা সর’লপুর ব্যা’ন্ডের মালি’কা’না নি’য়েই প্রশ্ন তুলছেন।

এমন জটিলতার সা’মনে দাঁ’ড়িয়ে গানটি নিয়ে মুখ খুলেছেন ‘মনপুরা’র সোনাই খ্যাত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। তিনি আজ ২২ অক্টোব’র দুপুরে বলেন, ‘খুব অ”বাক হয়ে’ছি আমি পু’রো ঘট’নাটিতে। ‘যুবতী রা’ধে’ গা’নটিকে আ’মরা সবা’ই প্র’লিত গান ব’লেই জানতাম।

বহু বছর আ’গে’র গান এটা। কিছু কথা আর সুর পরি’ব’র্তন হয়ে’ছে।এর কথা, ভাব, সুর সেই প্র’মাণ দেয়। তখ’নকার সাধ’কেরা রা’ধাকৃ’ষ্ণের প্রে’ম নিয়ে পা’লা-পুঁ’থি লিখ’ন, নানা পদ রচ’না করতেন। এমন প্রচ’লিত গা’নের জন্য অনুমতি লাগবে সেটা কেউ ভাবেনি। ইউটিউ’বেও এই গানের অ’নেক’গুলো ভা’র্সন দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোনো ব্যা’ন্ডের নাম ক্রেডি’ট হিসেবে দেয়া নেই। যদি জানা যেত গান’টির মা’লিক স’রলপু’র ব্যান্ড তাহলে আ’ইপিডিসি বা পার্থ বড়ুয়া অব’শ্যই তা’দের অনুম’তি নিতো।

আমরা সবাই দীর্ঘ’দিন ধরেই শিল্প’চর্চার স’ঙ্গে জ’ড়িত। কোনো নেতি’বাচক মা’সিকতা এখানে কা’রোর নেই।’চঞ্চল আর’ও বলেন, ‘আমি শখে’র গা’য়ক। বেশ কিছু গান আমি গে’য়েছি। আ’পনারা জানেন সে’গুলোর প্রায় স’বই ফো’ক গান। গা’নের কথা একটু সেদি’ক করে নেন অনেকেই অনেক সময়। বকু’ল ফুল বকুল ফুল গা’নটি খুব জ’নপ্রিয় এখন। এটা কিন্তু সর্ব’থম আমার ক’ণ্ঠেই রে’কর্ড হয়েছে। এরপর জ’লের গান গেয়ে”ছে, দিনাত জাহান মুন্নী গেয়ে’ছেন। এখন আমি কি বলবো যে এই গান তারা আমা’র অ’নু’মতি ছা’ড়া কেন গা’ইলো? আমি এই গানের মালিক? বা আমি এই গানের ক’পিরা’ইট আমা’র নামে করে নেবো?

একদমই না। কারণ গা’নটি অনেক আগে থেকেই মানু’র মুখে মুখে বেজে চলেছে। আমি সেটাকে রেকর্ড করে সবার কাছে তুলে ধরেছি। তাই বলে এই গান আমার হ’য়ে গেল না। আমার কণ্ঠে আরেকটি জনপ্রিয় গান আছে ‘ফুল গাছটি লাগাইছিলাম ধুলা মাটি দিয়া রে’। এটি পশ্চি’মবঙ্গের বাঁ’কুরা অঞ্চ’লের গান। আমি গাওয়ার পর খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অনেকেই মুখে মুখে বলেন, এটা চঞ্চলের গান। তাই বলে এটা তো আমার হয়ে গেল না। এর পদ রচনাকারী আমি নই।

চঞ্চল-শাওন
একইভাবে ‘মনপুরা’ সি’নেমায় ‘নিথুয়া পাথারে’ গানটির সবগুলো লাইনই ছিলো সংগৃহিত। কিন্তু শে’ষের অন্ত’রাটি গি’য়াসউদ্দিন সে’লিম লিখেছেন। তাই বলে গান’টিকে কিন্তু তিনি তার দাবি করেননি। এটা সংগৃহিত গান হি’সেবেই পরিচিত।’

‘কোনো গানে কেউ খানি’কটা এদিক সেদিক পরিবর্তন করে যদি সেটা তার নিজের বলে দাবি করে তখন তো আস’লে বলার কিছু থাকে না। শুনছি স’রলপুর ব্যান্ড দাবি করেছে তাদের নামে কপিরাইট আছে ‘যুবতী রাধে’ গানটি তাদের। যদি এম’নটা হয় তাহলে আইন তাদের পক্ষে। সেটা মান’তেই হবে। তবে আমা’ কিছু প্রশ্ন আছে।

সরলপুর ব্যান্ড তাদের বক্তব্যে বলছে গানটির ৩০ ভাগ তারা সংগ্রহ করেছেন আর ৭০ ভাগ তাদের লেখা। জা’নতেই চাই যে ৩০ ভাগ তারা সংগ্রহ করেছেন সেটা কার কার থেকে? তাদের কপিরাইটের বেলায় বি’ষয়টা কি হবে? আর যে ৭০ ভাগ তারা লিখেছেন সেখানে কোন কোন লা’ইনগুলো তাদের লেখা? কারণ বেশিরভাগই লাইন মধ্যযুগের কবি দ্বিজ কানা’ইয়ে’র লেখা মৈ’মনসিংহ গীতিকার মহু”য়া গানের পদে’র মতো। প্রায় হুবহু। জানি’না কপিরাইট আই’নের ব্যাখ্যা বা নিয়মটা কেমন। সেটাই জা’নতে চাই তাদের কাছে। কীভা’বে গানটি তাদের মা’লিকা’নায় এলো।

তারপর একটা বি’ষয় হলো যে গানটি আমি ও শাওন গেয়ে’ছি সেই গা’নের অ’নেক গুলো ভার্সন ইউ’টি’উবে রয়ে’ছে। সেগু’লোর কপি’রাইট কার? সেগুলো তো অনেক’দিন ধরেই রয়েছে সেখা’নে। অনেক ভিউও আছে। তাহলে সে’গুলো না সরিয়ে যখন আম’রা গাই’লাম এবং গানটি খুব সাড়া পেল তখন কেন সরা’নো হলো?- যোগ ক’রেন ‘আ’য়’না’বাজি’খ্যাত চঞ্চল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here