যৌ’ন সু’খের সময় বৃ’দ্ধি করতে গিয়ে যুবকের কাণ্ড! শেষমেশ চিকিৎসকের শরনাপন্ন

0
30

যৌ’ন সু’খের সময় বৃ’দ্ধি করতে ভারতের লক্ষ্ণৌ প্রদেশের এক যুবক বেছে নিয়েছিলেন ‘এক্সটেন্ডেড প্লেজার’-এর ক’নডম। নতুন ব্র্যান্ডের এই ক’নডম ব্যবহার করতে তার বারটা বেজেছে। পচন ধরেছে তার গো’পনা’ঙ্গে। শেষমেশ চিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়েছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’ তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, ক’নডমটি পরতেই তার যৌ’না’ঙ্গ নিজে থেকেই ফুলে উঠতে শুরু করে। তাতে অবাক হয়ে যান ৩০ বছর ব’য়সী ওই যুবক। সেই ফোলা ভাব না কমায় এবং খুব জ্বা’লা করায় তিনি হাসপাতালে ছোটেন। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে বুঝতে পারেন, যুবকটির ওই ক’নডম পরে অ্যালার্জি হয়েছে। সেই কারণেই গো’পনা’ঙ্গটি ফুলে গিয়েছে।

চিকিৎসকেরা আরও জানান, এই যুবকের জানা ছিল না তার কোনো কিছুতে অ্যালার্জি রয়েছে কি না।

পরে চিকিৎসকেরা বিভিন্ন টেস্ট করে নিশ্চিত হন এটা কোনো যৌ’ন রো’গ নয়। ক’নডমের উপাদান বেনজোকেইন থেকেই তার অ্যালার্জি হয়েছে। সেই অ্যালার্জি থেকেই গ্যাংরিন হয়ে যায় যুবকের গো’পনা’ঙ্গে। পচতে শুরু করে গো’পনা’ঙ্গের মুখটি।

চিকিৎসকদের মতে, বেনজোকেইন এক ধরনের স্থানীয়ভাবে অবশ করে দেয়ার ড্রাগ। যৌ’ন সু’খ দীর্ঘায়িত করার জন্য ক’নডমে এই ধরনের ড্রাগ ব্যবহার করা হয়। শীঘ্রপতন আ’টকাতেও যৌ’ন সংসর্গের সময় বাড়াতে এই ধরনের ক’নডম ব্যবহার করার পরামর্শ দেয় সংস্থাগুলো।

জানা যায়, ১৯৯৬ সালে প্রথম এ ধরনের ঘ’টনা ধরা পড়েছিল। তারপর থেকে চারটি এই ধরনের ঘ’টনা সামনে আসে। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস বা গো’পনা’ঙ্গে আ’ঘাত লেগে থাকলে কিংবা সে’ক্স টয় অতি ব্যবহার করলেও এই ধরনের রো’গ হতে পারে।

ভারতীয় একটি গণমাধ্যম বলছে, চিকিৎসকেরা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা শুরু করলেও পচে যাওয়া কোষগু’লিকে বাদ দিতে পরে যুবকটির গো’পনা’ঙ্গে অ’স্ত্রোপচার করতে হয়। তিন সপ্তাহ ধরে চলে এই চিকিৎসা। ছয় মাস বাদে যুবকটি সুস্থ হয়ে ওঠেন। চিকিৎসকদের মতে, যদিও এ ধরনের রো’গী তারা সংখ্যায় কম পান, তবে অনেকেই সামাজিক লজ্জার ভ’য়ে এই স’মস্যা নিয়ে চিকিৎসকদের কাছে আসতে চান না।

তবে এ ঘ’টনার পরও চিকিৎসকেরা ক’নডম ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দিতে নারাজ। চিকিৎসকদের বক্তব্য, অনেকেই জানেন না কিসে তাদের অ্যালার্জি রয়েছে। তবে গো’পনা’ঙ্গে অস্বাভাবিক কিছু দেখলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here